মালদা

বন্যার জলে প্লাবিত ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের আরও বেশ কিছু এলাকা

প্রান হাতে করে সীমান্তে পাহারা দিচ্ছে বিএসএফের জাওয়ানেরা। জেলার বেশকিছু নদীর জল ক্রমশ বেড়ে চলায় মালদার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। আবার নতুন করে নদীর জলে প্লাবিত হয়েছে হবিবপুর বামনগোলার সীমান্তবর্তী বিস্তৃর্ণ এলাকা। বেশ কয়েকদিনে বন্যার জলে ডুবে গিয়েছে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের বি এস এফের ৬টি বিওপি খুটাদহ, পান্নাপুর, জেজেপুর, টিকিয়া পাড়া কেদারীপাড়া ও আগ্রা হরিশ্চন্দ্রপুর।আজ বিএসএফের আরও বেশ কয়েকটি বিওপি জলে তলিয়ে যায়। ডুবে গিয়েছে আর্ন্তজাতিক সীমান্তের কাঁটা তার। ফলে কার্যত উন্মুক্ত হয়ে গেছে সীমান্ত। রয়েছে অনুপ্রবেশের আশঙ্খা। এতো পরিমান জল থাকার পরেও নিজেদের কাজে কোন বাধা আসতে দেয়নি ৬০ নম্বর ব্যাটালিয়ানের বি এস এফের জাওয়ানেরা। কোথাও এক বুক জলে দাড়িয়ে, কখনো নৌকাতে করে জল বৃষ্টি উপেক্ষা করে জাওয়ানেরা তাদের কাজ করে চলেছে। এক রকম প্রান হাতে নিয়ে চলছে সীমান্ত রক্ষার কাজ। প্রশ্নের মুখে জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা।  

 

            বি এস এফের জাওয়ানদের কাছে এই বিষয়ে কথা বললে তারা জানান, নিজেদের প্রানের থেকে সীমান্ত রক্ষা করাটা তাদের কাছে বেশী জরুরী। যখন খরা থাকে সে সময় কোন অসুবিধা হয় না। কিন্তু এখন বন্যার জলে এলাকা প্লাবিত হওয়ায় সাপ পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়েছে।তাদের ক্যাম্পাসে জল ঢুকে পড়েছে ফলে   তাতে কিছুটা অসুবিধাও হচ্ছে। কিন্তু অবৈধ জিনিস নিয়ে বাংলাদেশীরা যেন এই দেশে না আসতে পারে তার জন্য সীমান্তে কর্মরত থাকাটা তাদের কাছে বেশী প্রয়োজনীয়। তাই তারা বন্যা, ঝর, বৃষ্টি উপেক্ষা করে সীমান্তে পাহারা দিচ্ছে।